হরকিশোরবাবু
হরিশংকর জলদাস প্রান্তিক মানুষদের জীবন ছুঁয়ে ছুঁয়ে গল্প লেখেন। ‘জলদাসীর গল্প’ আর ‘লুচ্চা’ এর প্রমাণ। ‘হরকিশোরবাবু’-তে মানবজীবনের আরেকটি অধ্যায়কে তিনি পাঠকের সামনে মেলে ধরেছেন। কিছু বেদনাহত, বিপর্যস্ত মানুষের জীবনকথা শুনিয়েছেন তিনি এই গল্পগ্রন্থে। গল্প লিখতে গিয়ে লেখক আমাদের পারিপার্শ্বের কথা ভোলেন নি। মানবজীবনকে ঘিরে যে কৌতুক, সে বিধাতার বা সমাজের অথবা ঘনিষ্ঠজনের, তা ঝিকমিকিয়ে উঠেছে ‘হরকিশোরবাবু’-তে। রবীন্দ্রনাথ রতনকে যেখানে ত্যাগ...
হরকিশোরবাবু
বইয়ের তথ্য
হরিশংকর জলদাস প্রান্তিক মানুষদের জীবন ছুঁয়ে ছুঁয়ে গল্প লেখেন। ‘জলদাসীর গল্প’ আর ‘লুচ্চা’ এর প্রমাণ। ‘হরকিশোরবাবু’-তে মানবজীবনের আরেকটি অধ্যায়কে তিনি পাঠকের সামনে মেলে ধরেছেন। কিছু বেদনাহত, বিপর্যস্ত মানুষের জীবনকথা শুনিয়েছেন তিনি এই গল্পগ্রন্থে। গল্প লিখতে গিয়ে লেখক আমাদের পারিপার্শ্বের কথা ভোলেন নি। মানবজীবনকে ঘিরে যে কৌতুক, সে বিধাতার বা সমাজের অথবা ঘনিষ্ঠজনের, তা ঝিকমিকিয়ে উঠেছে ‘হরকিশোরবাবু’-তে। রবীন্দ্রনাথ রতনকে যেখানে ত্যাগ করেছেন, সেখান থেকেই হরিশংকর রতনকে তুলে নিয়ে জীবনরহস্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন। ‘অধরা’ গল্পটি পাঠককে একটি প্রশ্নের সামনে উপস্থিত করেÑপ্রেমে সার্থকতা ভালো, না ব্যর্থতায় ? ‘থুতু’, ‘আহব ইদানীং’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গল্প। এ দুটি গল্পে আপাত ব্যর্থ দুজন মুক্তিযোদ্ধার হাহাকার স্পষ্ট। ‘সোনালী আঁধার’ যেমন অপ্রেমের গল্প, তেমনি ‘হৃদয়কথা’ প্রেমিক পাঠককে তৃপ্তি দেবে।
হরিশংকর জলদাসের প্রতিটি গল্প পাঠককে ভাবায়। এবং সেখানেই লেখকের কৃতিত্ব।
