Home শেষের কবিতা
30%

শেষের কবিতা

By হাসনাত আবদুল হাই (Hasnat Abdul Hye)

‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথের অনবদ্য সৃষ্টি যার একাধিক ব্যাখ্যা হতে পারে। ব্যাখ্যা যা-ই দেওয়া হোক তাঁর সব উপন্যাসের মধ্যে এর আবেদনই স্থায়ী এবং চিরন্তন বলা যায়। সেই অর্থে এটি ক্লাসিকের পর্যায়ে পড়ে। প্রধান দুটি চরিত্র, অমিত ও লাবণ্যর জীবন প্রেমের বিচিত্র অভিব্যক্ত এই উপন্যাসকে অসাধারণত্বের চরিত্র দান করেছে। এটি আধুনিক জীবনের একটি প্রচণ্ড আবেগের শক্তিশালী রূপায়ণ যেখানে বাস্তবতার পাশাপাশি রোমান্টিকতা সৃষ্টি...

Tk 200.00 Tk 140.00
40
People are viewing this right now
শেষের কবিতা

শেষের কবিতা

Tk 200.00 Tk 140.00

বইয়ের তথ্য

‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথের অনবদ্য সৃষ্টি যার একাধিক ব্যাখ্যা হতে পারে। ব্যাখ্যা যা-ই দেওয়া হোক তাঁর সব উপন্যাসের মধ্যে এর আবেদনই স্থায়ী এবং চিরন্তন বলা যায়। সেই অর্থে এটি ক্লাসিকের পর্যায়ে পড়ে। প্রধান দুটি চরিত্র, অমিত ও লাবণ্যর জীবন প্রেমের বিচিত্র অভিব্যক্ত এই উপন্যাসকে অসাধারণত্বের চরিত্র দান করেছে। এটি আধুনিক জীবনের একটি প্রচণ্ড আবেগের শক্তিশালী রূপায়ণ যেখানে বাস্তবতার পাশাপাশি রোমান্টিকতা সৃষ্টি করে নিয়েছে। রবীন্দ্র জীবনীকার প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায় ‘শেষের কবিতা’ সম্বন্ধে লিখেছেন : ‘এ যেন মহাকাব্যের পর লিরিক রচনা। ইহা লিখিতে আরম্ভ করিয়া কবি যেন মনের নিষ্কৃতি ও তৃপ্তি পাইতেছেন।’ প্রকৃতপক্ষে রবীন্দ্রনাথ শেষজীবনে আধুনিক দৃষ্টিকোণ থেকে মানব-মানবীর মধ্যে অন্তরঙ্গতা এবং তাদের প্রেম-ভালোবাসা সম্পর্কে যে দার্শনিক ভাবনায় পৌঁছেছিলেন তার প্রকাশের জন্য এই উপন্যাস লেখেন। প্রেম-ভালোবাসা সম্পর্কে বিশেষ বক্তব্য রাখা ছাড়াও উপন্যাসটির মাধ্যমে তিনি তাঁর সাহিত্যকর্মের বিরোধীদের সমালোচনারও উত্তর দিয়েছেন। কাহিনীর বর্ণনায় এবং ভাষার ব্যবহারে তিনি যে কুশলতার পরিচয় দিয়েছেন তার ভিত্তিতে নবীন প্রজন্মের কবি-সাহিত্যিকরা তাঁকে আধুনিক-মনস্ক বলে গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছিল। তাঁর একজন সমালোচক-ভক্ত কবি-প্রবন্ধকার বুদ্ধদেব বসুও স্বীকার করেছেন যে ‘শেষের কবিতা’ লেখার মধ্য দিয়েই বাংলা আধুনিক গদ্যের যাত্রা শুরু হয়। ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। এটি এমন এক কাহিনী নিয়ে লেখা যার আবেদন চিরন্তন।

হাসনাত আবদুল হাই (Hasnat Abdul Hye)

জন্ম ১৯৩৯ সালের সেপ্টেম্বরে, কলকাতায় । পৈত্রিক নিবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার সৈয়দাবাদ গ্রামে। স্কুল শিক্ষা কলকাতা, যশোর, ফরিদপুর শহরে। কলেজ শিক্ষা ঢাকায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়, লন্ডন স্কুল অব ইকনোমিকস এবং ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর শিক্ষা লাভের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা । ১৯৬৫ সালে সিভিল সার্ভিসে যোগদানের পর প্রাক্তন পাকিস্তান সরকার এবং পরবর্তীকালে বাংলাদেশ সরকারের অধীনে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন এবং সচিব পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। হাসনাত আবদুল হাই ছাত্র জীবন থেকে সাহিত্যচর্চা শুরু করেন। ১৯৫৮ সালে ছোটগল্প রচনার মাধ্যমে। ছোটগল্প, উপন্যাস, ভ্রমণ-কাহিনী, শিল্প ও সাহিত্য সমালোচনা এবং নাটক এই সব Read More

শাখায় স্বচ্ছন্দে বিচরণ করেছেন চার দশকের অধিককাল ।বাংলা এবং ইংরেজিতে একটি কবিতার বই লিখেছেন জাপানে প্ৰবাস জীবনে। প্ৰকাশিত ছোটগল্প গ্রন্থের সংখ্যা পাঁচ, উপন্যাস পঁচিশ এবং ভ্ৰমণ-কাহিনী ছয় । সাহিত্যে অবদানের জন্য পেয়েছেন অলক্ত পুরস্কার, মোহাম্মদ আকরম খাঁ বাংলা একাডেমী পুরস্কার এবং সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ১৯৯৬ সালে ‘একুশে পদক’ লাভ করেন। তাঁর লেখা উপন্যাস সুলতান ডাবলিন আন্তর্জাতিক সাহিত্য পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়।

Read Less