Home শুধু মাধবীর জন্য (Sudhu Maduhobir Janya)
30%

শুধু মাধবীর জন্য (Sudhu Maduhobir Janya)

By Md. Asaduzzaman

এই বইটি পাগল পাগল ভালোবাসার জন্য কাঙাল হওয়া এক লজ্জাহীন মানুষের নির্মল অভিব্যক্তি প্রকাশের ক্ষুদ্র প্রয়াস মাত্র। গ্রন্থটিতে লেখক তাঁর ভালোবাসার মানুষের কাছে, তাঁর মাধবীর কাছে, নির্মোহভাবে সুখ-দুঃখের কথা, দহনের কথা, ইতিহাস-সাহিত্য, প্রেম-বিরহের কথা, সুখের স্মৃতিতে জমানো অনেক না-বলা কথা, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির কাঙালপনা আর নির্লজ্জ ভালোবাসার কথা তুলে ধরেছেন। মাধবীকে লিখতে গিয়ে অনেক কবি-সাহিত্যিকের কবিতা-গল্প থেকে উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে, যার জন্য...

Tk 800.00 Tk 560.00
40
People are viewing this right now
শুধু মাধবীর জন্য (Sudhu Maduhobir Janya)

শুধু মাধবীর জন্য (Sudhu Maduhobir Janya)

Tk 800.00 Tk 560.00

প্রথম প্রকাশিত

Ekushe boimela 2026

পৃষ্ঠার সংখ্য

272

ISBN

9789845290517

বইয়ের তথ্য

এই বইটি পাগল পাগল ভালোবাসার জন্য কাঙাল হওয়া এক লজ্জাহীন মানুষের নির্মল অভিব্যক্তি প্রকাশের ক্ষুদ্র প্রয়াস মাত্র। গ্রন্থটিতে লেখক তাঁর ভালোবাসার মানুষের কাছে, তাঁর মাধবীর কাছে, নির্মোহভাবে সুখ-দুঃখের কথা, দহনের কথা, ইতিহাস-সাহিত্য, প্রেম-বিরহের কথা, সুখের স্মৃতিতে জমানো অনেক না-বলা কথা, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির কাঙালপনা আর নির্লজ্জ ভালোবাসার কথা তুলে ধরেছেন। মাধবীকে লিখতে গিয়ে অনেক কবি-সাহিত্যিকের কবিতা-গল্প থেকে উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে, যার জন্য তাঁদের প্রতি লেখকের আজন্মের ঋণ! কোনো কোনো পত্রে লেখক মাধবীর প্রতি প্রচণ্ড ক্ষোভ আর বেদনার যন্ত্রণা থেকে তার প্রতি কটুকথা বলেছেন, যা লেখকের স্বাভাবিক শব্দচয়নের সাথে যায় না। এধরনের কিছু ‘অশ্লীল’ বাক্য কিংবা কটুকথা লেখার জন্য লেখক সকলের কাছে শর্তহীন ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছেন।
এটি লেখকের প্রথম বই, সে হিসেবে সবাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং লেখকের এই সৃজনশীলতাকে সমর্থন করবেন বলে আশা করি।

Md. Asaduzzaman

জন্ম ১৯৭১ সালের ৩১ জানুয়ারি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার বারইপাড়া গ্রামে। পিতা প্রয়াত শেখ মো. ইসরাইল হোসেন এবং মাতা বেগম রোকেয়া।
মোঃ আসাদুজ্জামান যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৯৮৭ সালে এসএসসি ও ১৯৮৯ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে, ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে, ২০০৫ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এবং ২০২৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ১৯৯৫ সালে নিজামুল হক নাসিমের সঙ্গে শিক্ষানবিশ আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করে ১৯৯৮ সালে দেশের স্বনামধন্য ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদের ল Read More

ফার্মে আইনজীবী হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তী সময়ে ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদের প্রতিষ্ঠিত ‘সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এন্ড এসোসিয়েটস’ নামক ল ফার্মের অংশীদার হন। পেশাগত জীবনে রীট, ট্যাক্স, কোম্পানি ও দেওয়ানি আইনে বিশেষ পারদর্শী তিনি।
অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকে প্রগতিশীল ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ততার সূত্রে তিনি সাহিত্যানুরাগী হয়ে ওঠেন।
মানবাধিকারকর্মী হিসেবে দেশে-বিদেশে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে অনবদ্য ভূমিকা পালন করেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে তিনি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান। পরবর্তী সময়ে জাতীয় সংসদের আসন নং ৮১, ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী।
ব্যক্তিগত জীবনে লেখক বিবাহিত এবং দুই কন্যাসন্তানের জনক। তাঁর সহধর্মিণী মিজ শিরিন সুলতানা শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। জ্যেষ্ঠ কন্যা অঞ্জলি জামান (কথা) আইন বিষয়ে ইংল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং কনিষ্ঠ কন্যা অধরা জামান বাংলাদেশের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত।

Read Less