বাংলা টেলিভিশনের ৫০ বছর
একথা বললে ভুল হবে না যে, গণমাধ্যমই সময়ের সবচেয়ে বড় প্রভাবক। ব্যক্তি, সমাজ, এমনকি রাষ্ট্রীয় জীবনে গণমাধ্যম আজ সবচেয়ে বড় অনুঘটক। গণমানুষের চেতনা বিকাশ থেকে শুরু করে সমাজ, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে এর অবদান আজ অনস্বীকার্য। আর এই সময়টিতে পৌঁছতে কেটে গেছে অর্ধশতাব্দীকাল। বাংলা টেলিভিশনের অর্ধশতাব্দী। আমার বয়স ষাট পেরিয়ে গেছে। আমরা একসঙ্গে যারা বেড়ে উঠেছি তাদের প্রায় সবাই ষাটোর্ধ্ব। আমার...
বাংলা টেলিভিশনের ৫০ বছর
বইয়ের তথ্য
একথা বললে ভুল হবে না যে, গণমাধ্যমই সময়ের সবচেয়ে বড় প্রভাবক। ব্যক্তি, সমাজ, এমনকি রাষ্ট্রীয় জীবনে গণমাধ্যম আজ সবচেয়ে বড় অনুঘটক। গণমানুষের চেতনা বিকাশ থেকে শুরু করে সমাজ, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে এর অবদান আজ অনস্বীকার্য। আর এই সময়টিতে পৌঁছতে কেটে গেছে অর্ধশতাব্দীকাল। বাংলা টেলিভিশনের অর্ধশতাব্দী। আমার বয়স ষাট পেরিয়ে গেছে। আমরা একসঙ্গে যারা বেড়ে উঠেছি তাদের প্রায় সবাই ষাটোর্ধ্ব। আমার বন্ধু ফরিদুর রেজা সাগর এই ষাটোর্ধ্ব জীবনে সবচেয়ে বেশি সময় কাটিয়েছেন টেলিভিশনের সঙ্গে। ওর জীবনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে টেলিভিশন। চেতনায় ও মননে টেলিভিশন। যারা আমাদের বয়সী তারা টেলিভিশনকে পঞ্চাশ বছর ধরে দেখছি, কিন্তু সাগর যেভাবে দেখেছেন বা দেখছেন তা আর কেউ দেখছি বলে মনে হয় না। বাংলাদেশ টেলিভিশনের যন্ত্রপাতি, আসবাব, কর্মঘণ্টাসহ প্রতিটি কর্মীর সঙ্গে ওর নিবিড় সখ্য। বলা যায় টেলিভিশনই ওকে তৈরি করেছে একজন ফরিদুর রেজা সাগর-এ।
টেলিভিশন জীবনে দীর্ঘকাল যুক্ত থাকার সুবাদে গভীরভাবে উপলব্ধি করছি, এরকম একটি গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়ার মতো অনেকেই ছিলেন, কিন্তু সাহস করে এগিয়েছেন শুধু সাগর। সাফল্যের সঙ্গে সুচারুভাবে এমন ঐতিহাসিক একটি দলিল, সরল গদ্যে লিখেছেন। যা টেলিভিশনের এই যুগে এই মাধ্যমের যে-কোনো অংশের সঙ্গে যুক্ত যে-কোনো মানুষকে তথ্যে সমৃদ্ধ করবে, জানাবে বাঙালি সংস্কৃতি বিকাশের আরেকটি পর্যায়ের গল্পগুলোর ভেতরের আনন্দ, রস ও উত্থান পতনের কাহিনি।
শাইখ সিরাজ
