Home বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক অর্থনীতি

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক অর্থনীতি

By আবুল কাসেম

রাজনৈতিক অর্থনীতি হচ্ছে সমাজবিজ্ঞানের এমন এক দিক যা জনগণের সঙ্গে সরকারের রাজনৈতিক নীতির অর্থনৈতিক সম্পর্ক নির্দেশ করে। বিস্তৃতভাবে বললে রাজনৈতিক অর্থনীতি হলো, ভিন্ন কিন্তু পারস্পরিকভাবে সম্পর্কযুক্ত অর্থনীতি ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের আঙ্কিকসমূহ যেগুলোর সীমা অন্যান্য ক্ষেত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং সমন্বিত অর্থনীতি থেকে প্রথাগত অর্থনীতির মৌলিক ও স্বতঃসিদ্ধ চিন্তার ব্যবহার পর্যন্ত বিস্তৃত। রাজনৈতিক অর্থনীতিতে তিন ধরনের অর্থব্যবস্থার পরিচয় রয়েছে: ধনতান্ত্রিক, সমাজতান্ত্রিক এবং...

Sale price Tk 850.00
40
People are viewing this right now
বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক অর্থনীতি

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক অর্থনীতি

Tk 850.00

প্রথম প্রকাশিত

একুশে বইমেলা ২০২৪

পৃষ্ঠার দৈর্ঘ্য

278

ISBN

৯৭৮ ৯৮৪ ৫০২ ৮৬৪ ৬

বইয়ের তথ্য

রাজনৈতিক অর্থনীতি হচ্ছে সমাজবিজ্ঞানের এমন এক দিক যা জনগণের সঙ্গে সরকারের রাজনৈতিক নীতির অর্থনৈতিক সম্পর্ক নির্দেশ করে। বিস্তৃতভাবে বললে রাজনৈতিক অর্থনীতি হলো, ভিন্ন কিন্তু পারস্পরিকভাবে সম্পর্কযুক্ত অর্থনীতি ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের আঙ্কিকসমূহ যেগুলোর সীমা অন্যান্য ক্ষেত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং সমন্বিত অর্থনীতি থেকে প্রথাগত অর্থনীতির মৌলিক ও স্বতঃসিদ্ধ চিন্তার ব্যবহার পর্যন্ত বিস্তৃত। রাজনৈতিক অর্থনীতিতে তিন ধরনের অর্থব্যবস্থার পরিচয় রয়েছে: ধনতান্ত্রিক, সমাজতান্ত্রিক এবং কমিউনিজমভিত্তিক। সম্পত্তির ব্যক্তিগত মালিকানা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার মূলকথা। এখানে প্রাকৃত ও মানবসৃষ্ট সম্পদের মালিকানার নিয়ন্ত্রণ ও বিনিময় করার অধিকার ব্যক্তি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে থাকে। সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ভূমি, কলকারখানা, সম্পদ উৎপাদিত পণ্য এবং উৎপাদন উপকরণের ওপর রাষ্ট্রীয় মালিকানা স্বীকৃত থেকে সম্পদের সুসম বণ্টন নিশ্চিত করে। কমিউনিজম এবং সমাজতন্ত্রের সঙ্গে কিছু মিল থাকলেও এগুলোর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
বঙ্গবন্ধু একজন দক্ষ ও সর্বকালের সেরা রাজনীতিবিদ হয়েও অর্থনীতিশাস্ত্রের নীতিনিষ্ঠ রাজনৈতিক ও সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির মেলবন্ধনে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির দূরদর্শিতায় যে প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছেন তা রাজনৈতিক অর্থনীতির সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে একেবারে মিলে যায়। তিনি সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতিকে সামনে রেখে প্রথমেই জাতীয়করণ নীতি ঘোষণা করেছিলেন। স্বাধীনতার দেড় বছরের মাথায় যে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা পেশ করেছিলেন, তাতেও ছিল তাঁর রাজনৈতিক অর্থনীতির মূল দর্শন। রাজনৈতিক অর্থনীতির একটি অন্যতম দিক হচ্ছে ‘আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক অর্থনীতি’। সদ্যস্বাধীন এক যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও বঙ্গবন্ধু কী করে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতির স্টিয়ারিং শক্ত হাতে ধরে সাফল্যের পরিচয় দিয়েছিলেন সেসব কথা এ বইতে রয়েছে, রয়েছে তাঁর বিপুল সম্ভাবনাময় দ্বিতীয় বিপ্লবের কথাও।

আবুল কাসেম

১ জুলাই ১৯৫৫ কুমিল্লা জেলার সদর উপজেলার ঝাঁকুনি-পাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্স এবং মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন শেষে সরকারি কলেজে অধ্যাপনা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে প্রবেশ করেন। বর্তমানে তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব। ছাত্র অবস্থা থেকেই তিনি লেখালেখির সঙ্গে জড়িত। তখন থেকে দেশ-বিদেশের পত্র-পত্রিকায় তাঁর প্রবন্ধ, গবেষণাপ্রবন্ধ, ছোটগল্প, সমালোচনামূলক প্রবন্ধ প্রভৃতি প্রকাশিত হয়ে আসছে। কথাসাহিত্যে তার বিচরণ বেশি। সেখানে তিনি অতীত ইতিহাসের অমীয় উপাদানের সন্ধান করেছেন, সমৃদ্ধ করেছেন ইতিহাস আশ্রয়ী বাংলা সাহিত্যকে। ক্যাপ্টেন কক্স, অজেয় এবং সরহপা সে ধরনের উপন্যাস। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক কিছু বই রয়েছে তাঁর। Read More

মুক্তিযুদ্ধে কুমিল্লা, মুক্তিযুদ্ধে জয়পুরহাটে ছাড়াও রয়েছে মুক্তির মন্দির সোপানতলের মতো হৃদয়স্পর্শীর মুক্তিযুদ্ধের গল্পের বই। ইতিহাস বইগুলো আঞ্চলিক ও জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দলিল হয়ে আছে। তাঁর গবেষণাপ্রবন্ধে সমকালীন বিশ্বসাহিত্যের একটি বিশেষ ধারার গভীরতর চিন্তাধর্মী বিষয়গুলো যেমনÑ অস্তিত্ববাদ, পরাবাস্তববাদ, চেতনাপ্রবাহরীতি, অ্যাবসার্ডিটি প্রাধান্য পেয়েছে। চা শিল্পের ইতিহাস, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও সাহিত্য নিয়ে কাজ করেছেন তিনি। বাংলা ভাষায় তা শুধু ব্যতিক্রমই নয়, অনন্য সাধারণও। তাঁর চা শিল্পের ইতিহাস কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ২০। কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বিশ্ববিদ্যালয় স্বর্ণপদকসহ নানা পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেন।

Read Less