Home পানেছার বানুর নকশীকাঁথা
30%

পানেছার বানুর নকশীকাঁথা

By হাসনাত আবদুল হাই (Hasnat Abdul Hye)

‘পানেছার বানু নকশীকাঁথা’ সমকালের বাংলাদেশের কাহিনী। মূলত গ্রামীণ জীবনের চালচিত্র হলেও অনুষঙ্গ হিসেবে এসেছে নগর এবং জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতি। গ্রামীণ জীবনে পুরোনো এবং নতুন, ঐতিহ্য এবং আধুনিকায়নের যে দ্বন্দ্ব আর সংঘর্ষ তার বিশেষ বর্ণনা স্থান পেয়েছে এই উপন্যাসে। ভাগ্যান্বেষী বাংলাদেশিরা পাড়ি দিচ্ছে দেশান্তরে, বৈধ এবং অবৈধ পথে। অনিশ্চিয়তার মুখোমুখি হয়ে এবং ঝুঁকি নিয়ে এরা বেরিয়ে পড়ছে দলে দলে। তাদের সাহসিকতা,...

Tk 275.00 Tk 192.50
40
People are viewing this right now
পানেছার বানুর নকশীকাঁথা

পানেছার বানুর নকশীকাঁথা

Tk 275.00 Tk 192.50

বইয়ের তথ্য

‘পানেছার বানু নকশীকাঁথা’ সমকালের বাংলাদেশের কাহিনী। মূলত গ্রামীণ জীবনের চালচিত্র হলেও অনুষঙ্গ হিসেবে এসেছে নগর এবং জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতি। গ্রামীণ জীবনে পুরোনো এবং নতুন, ঐতিহ্য এবং আধুনিকায়নের যে দ্বন্দ্ব আর সংঘর্ষ তার বিশেষ বর্ণনা স্থান পেয়েছে এই উপন্যাসে। ভাগ্যান্বেষী বাংলাদেশিরা পাড়ি দিচ্ছে দেশান্তরে, বৈধ এবং অবৈধ পথে। অনিশ্চিয়তার মুখোমুখি হয়ে এবং ঝুঁকি নিয়ে এরা বেরিয়ে পড়ছে দলে দলে। তাদের সাহসিকতা, কষ্ট স্বীকার এবং আত্মবিসর্জনের কাহিনীর পটভূমিতে যেমন রয়েছে বাংলাদেশের সমাজ, রাজনীতি এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, একইভাবে যুক্ত হয়েছে এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক মাত্রা। ‘পানেছার বানুর নকশীকাঁথা’র কেন্দ্রীয় চরিত্র এক গ্রামীণ নারী যার চরিত্রের দৃঢ়তা এবং সততা কাহিনীর মূল বক্তব্যকে ব্যক্ত করেছে বস্তুনিষ্ঠ ভাবে। তাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ভূমিকা নিয়েছে যেসব চরিত্র তারা বর্তমান বাংলাদেশের প্রায় সকল শ্রেণীর প্রতিনিধিত্ব করে, একথা বলা যায়। এ অর্থে উপন্যাসটি সমগ্র বাংলাদেশেরই কাহিনী। বাউল গানের উল্লেখ করে উপন্যাসে বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে লোকায়ত উপকরণের প্রতি যেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তার পাশাপাশি হোমারের লেখা ‘এপিক’ ‘ওডিসির’ সঙ্গে কাহিনীর সাযুজ্য এনে উপন্যাসটিকে করা হয়েছে ব্যতিক্রমী। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় সতত আগ্রহী প্রবীণ লেখক হাসনাত আবদুল হাই-এর এ উপন্যাস বাংলাদেশের কথাসাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন ৷

হাসনাত আবদুল হাই (Hasnat Abdul Hye)

জন্ম ১৯৩৯ সালের সেপ্টেম্বরে, কলকাতায় । পৈত্রিক নিবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার সৈয়দাবাদ গ্রামে। স্কুল শিক্ষা কলকাতা, যশোর, ফরিদপুর শহরে। কলেজ শিক্ষা ঢাকায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়, লন্ডন স্কুল অব ইকনোমিকস এবং ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর শিক্ষা লাভের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা । ১৯৬৫ সালে সিভিল সার্ভিসে যোগদানের পর প্রাক্তন পাকিস্তান সরকার এবং পরবর্তীকালে বাংলাদেশ সরকারের অধীনে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন এবং সচিব পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। হাসনাত আবদুল হাই ছাত্র জীবন থেকে সাহিত্যচর্চা শুরু করেন। ১৯৫৮ সালে ছোটগল্প রচনার মাধ্যমে। ছোটগল্প, উপন্যাস, ভ্রমণ-কাহিনী, শিল্প ও সাহিত্য সমালোচনা এবং নাটক এই সব Read More

শাখায় স্বচ্ছন্দে বিচরণ করেছেন চার দশকের অধিককাল ।বাংলা এবং ইংরেজিতে একটি কবিতার বই লিখেছেন জাপানে প্ৰবাস জীবনে। প্ৰকাশিত ছোটগল্প গ্রন্থের সংখ্যা পাঁচ, উপন্যাস পঁচিশ এবং ভ্ৰমণ-কাহিনী ছয় । সাহিত্যে অবদানের জন্য পেয়েছেন অলক্ত পুরস্কার, মোহাম্মদ আকরম খাঁ বাংলা একাডেমী পুরস্কার এবং সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ১৯৯৬ সালে ‘একুশে পদক’ লাভ করেন। তাঁর লেখা উপন্যাস সুলতান ডাবলিন আন্তর্জাতিক সাহিত্য পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়।

Read Less