ঘর কিংবা ঘোর
চঞ্চলা চোখে যেন কিসের লেশ। কোনো অপ্রস্তুত সংবাদ শোনার শঙ্কা!‘মালতী আমার প্রেমিকা,’ বলেই সিগারেট টানতে শুরু করলেন মোহনলালবাবু।‘প্রেমিকা!’ চমকে গিয়ে বললেন জাহানারা।‘হ্যাঁ, প্রেমিকা।’‘সে এখন কোথায় ?’ কিছুটা ফ্যাকাশে আদলে জানতে চাইলেন জাহানারা। ‘মরে গেছে। গলায় দড়ি দিয়ে মরে গেছে।’‘গলায় দড়ি দিয়ে মরে গেছে! কিন্তু কেন ?’‘সে অনেক কথা। স্মরণে আনলে পৃথিবী অসাড় লাগে। তুমি কি চাও আমি এসব বলে আবারও...
ঘর কিংবা ঘোর
বইয়ের তথ্য
চঞ্চলা চোখে যেন কিসের লেশ। কোনো অপ্রস্তুত সংবাদ শোনার শঙ্কা!
‘মালতী আমার প্রেমিকা,’ বলেই সিগারেট টানতে শুরু করলেন মোহনলালবাবু।
‘প্রেমিকা!’ চমকে গিয়ে বললেন জাহানারা।
‘হ্যাঁ, প্রেমিকা।’
‘সে এখন কোথায় ?’ কিছুটা ফ্যাকাশে আদলে জানতে চাইলেন জাহানারা।
‘মরে গেছে। গলায় দড়ি দিয়ে মরে গেছে।’
‘গলায় দড়ি দিয়ে মরে গেছে! কিন্তু কেন ?’
‘সে অনেক কথা। স্মরণে আনলে পৃথিবী অসাড় লাগে। তুমি কি চাও আমি এসব বলে আবারও দুঃখ পাই ?’
‘না।’
জাহানারা আর কিছু বললেন না। চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলেন।
মোহনলালবাবু রেডিওটা ছেড়ে দিলেন। করুণ সুরে বেজে ওঠে গান। সেই সুরে মগ্ন ঘোরে মোহনলালবাবু শরীরটা এলিয়ে দেন সুস্তিখাটে।
গানের কথায় ভেসে আসে :
আলোতেও আঁধার, কারাগার নাকি নিজেরই ঘর,
কথা বলি নিজের সাথে, বিরহ বিষাদ সাথে রেখে
কেউ এসো না মনের বেদনে এমন দিনে, গানে গানে...
জাহানারা বেগমকে বিমর্ষ দেখাল।
তিনি চোখ ফেরালেন মোহনলালবাবুর দিকে।
