Home কালের ধুলোয় লেখা
30%

কালের ধুলোয় লেখা

By শামসুর রাহমান (Shamsur Rahman)

শামসুর রাহমান। বাংলা সাহিত্যের কাব্যকাঠামোর নববিন্যাস মানেই- তাঁর কবিতা- তাঁর লেখা। স্বাভাবিকভাবেই শামসুর রাহমান আজ বাঙলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবিÑ একথা সর্বজন স্বীকৃত। কালের পথ পরিক্রমায় জীবন ঘষে যারা আগুন জ্বেলেছেন তিনি সেই আলোর পথযাত্রী। মাটি, মানুষ, সুন্দর ও স্বদেশকে আপন জেনেই তিনি ‘জড়ভরত’ হয়ে থাকেন নি। একজন দায়বদ্ধ কবির দায়িত্ব পালন করে চলেছেন অবিরাম। ‘আসাদের শার্ট’, ‘স্বাধীনতা তুমি’, কিংবা...

Tk 750.00 Tk 525.00
40
People are viewing this right now
কালের ধুলোয় লেখা

কালের ধুলোয় লেখা

Tk 750.00 Tk 525.00

বইয়ের তথ্য

শামসুর রাহমান। বাংলা সাহিত্যের কাব্যকাঠামোর নববিন্যাস মানেই- তাঁর কবিতা- তাঁর লেখা। স্বাভাবিকভাবেই শামসুর রাহমান আজ বাঙলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবিÑ একথা সর্বজন স্বীকৃত। কালের পথ পরিক্রমায় জীবন ঘষে যারা আগুন জ্বেলেছেন তিনি সেই আলোর পথযাত্রী। মাটি, মানুষ, সুন্দর ও স্বদেশকে আপন জেনেই তিনি ‘জড়ভরত’ হয়ে থাকেন নি। একজন দায়বদ্ধ কবির দায়িত্ব পালন করে চলেছেন অবিরাম। ‘আসাদের শার্ট’, ‘স্বাধীনতা তুমি’, কিংবা ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে হে স্বাধীনতা’— এক একটি কবিতা এক একটি কালের ইতিহাস ধারণ করে আছে। বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাসে স্থান পাওয়া এমন অনেক মাইল ফলক লেখার সফল স্রষ্টা তিনি। তাঁর কবিতায় প্রতিভাত হয়েছে সত্য, সুন্দর ও প্রেমের মানুষের একনিবিষ্টতা। আবার তাঁর শাণিত কবিতা গণসংগ্রামের ফেস্টুনও হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। কখনো-বা হয়েছে স্লোগানের ভাষা। মুক্তিযুদ্ধের আতংকিত দিনে কিংবা সামরিকজান্তার জলপাই শাসনের কালে তাঁর কবিতা হয়ে উঠেছে সংগ্রামের মূল প্রেরণা। যে-কোনো মারণাস্ত্রের চেয়ে আস্থাশীল কবিতা তিনি লিখেছেন। বেকারত্ব, দারিদ্র্য সবকিছু থাকা সত্ত্বেও দ্রোহের বিরুদ্ধে তিনি কবি- ছিলা ছেঁড়া ধনুকের মতো টানটান বিপ্লবী। ‘কালের ধুলোয় লেখা’ তাঁর আত্মজীবনীতে রাজনীতি, অর্থনীতি, সাহিত্য-সংস্কৃতি শুধু নয়, বৈশ্বিক পটভূমিতে কাছ থেকে দেখা বাঙালির গণ-সংস্কৃতির ইতিহাস যেমন প্রকাশিত হয়েছে তেমনি প্রতিভাত হয়েছে তার কাব্যসত্তার ভেতর-বাহির। জীবনে ঘটেছে এমন কোনো ঘটনাকে লুকোতে চান নি। মুখোমুখি হয়েছেন বারবার। বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী শামসুর রাহমান অনেক অজানা ইতিহাসকে খোলসা করেছেন স্পষ্টভাবে যার মধ্য দিয়ে বিশুদ্ধ সত্যাশ্রয়ী আত্মজীবনী লেখার একটি সংস্কৃতি চালু হবে বলে বিশ্বাস করি।

শামসুর রাহমান (Shamsur Rahman)

নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানা থেকে আরেকটু ভেতরে মেঘনাপাড়ের গ্রাম পাড়াতলীÑ কবি শামসুর রাহমানের পৈতৃক নিবাস। তবে জন্মেছিলেন ঢাকা শহরের ৪৬ নম্বর মাহুতটুলির বাড়িতে। দশ ভাইবোনের মধ্যে জ্যেষ্ঠ তিনি।
১৯৪৮ সালে যখন তার বয়স মাত্র ১৯ বছর তখন মননের গহীন তল্লাটে কবিতার যে আবাদভূমি গড়ে উঠেছিল- তা কেবল উর্বরই হয়েছে। যার ফলশ্র“তিতে নলিনীকিশোর গুহের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় প্রথম কবিতা- তারপর দে ছুট। আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয় নি। এখন গদ্য-পদ্য মিলিয়ে তার গ্রন্থসংখ্যা প্রায় একশ’র কোঠা ছুঁই ছুঁই।
পেয়েছেন আদমজী পুরস্কার (১৯৬৩), বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬৯), একুশে পদক (১৯৭৭)। সাংবাদিকতার জন্যে পেয়েছেন জাপানের মিৎসুবিশি পদক (১৯৯২), ভারতের আনন্দ Read More

পুরস্কার (১৯৯৪) ছাড়াও বহু পুরস্কারে ভূষিত কবি শামসুর রাহমান। ভারতের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডি লিট উপাধিতেও ভূষিত।
‘মর্নিং নিউজ’-এ সাংবাদিকতার মধ্যদিয়ে ১৯৫৭ সালে যে চাকরিজীবন শুরু করেছিলেন, একই পেশায় থেকে ১৯৮৭ সালে দৈনিক বাংলার সম্পাদক পদ থেকে তিনি চাকরিতে ইস্তফা দেন। জীবনে উত্থান-পতন, দারিদ্র্য, হতাশার ঘূর্ণিপাকে দুলেছেন, তবু খেই হারান নি জীবন, সাহিত্য ও কবিতার পাঠ থেকে।
মূলত কবি হলেও সাহিত্যে তার কাজ বহুমাত্রিক। অনুবাদ সাহিত্য থেকে গদ্যের বিভিন্ন প্রশাখায় বিচরণ করেছেন তিনি। ‘মৈনাক’ ছদ্মনামে কলামও লিখেছেন নিয়মিত।
এখনো কবিতায় বসবাস। গদ্যও লেখেন। গদ্য-পদ্য মিলে কাটে দিন-প্রতিদিন।
শামসুর রাহমানের জন্ম ২৩ অক্টোবর ১৯২৯ এবং প্রয়াণ ১৭ আগস্ট ২০০৬।

Read Less