Home সাংগ্রিলায় সাত দিন
30%

সাংগ্রিলায় সাত দিন

By হাসনাত আবদুল হাই (Hasnat Abdul Hye)

এই উপন্যাস কল্পিত এক অনাদর্শিক, dystopian শহরের কাহিনি যেখানে এক ক্ষমতাধর বাড়িওয়ালার দাপটে কেউ মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না, তার কোনো আলোচনা করার সাহস পায় না। সুমন নামে এক সাংবাদিক যুবক তাদের কাগজে ল্যান্ডলর্ডের বিরুদ্ধে লেখার পর তার বান্ধবি রেখা বলে, তুই পালা। তোকে মেরে ফেলবে। গায়েব করে দেবে। কিন্তু সে সব কিছু হয় না। তার পরিবর্তে ল্যান্ডলর্ডের বিখ্যাত রিসোর্টে...

Tk 350.00 Tk 245.00
40
People are viewing this right now
সাংগ্রিলায় সাত দিন

সাংগ্রিলায় সাত দিন

Tk 350.00 Tk 245.00

বইয়ের তথ্য

এই উপন্যাস কল্পিত এক অনাদর্শিক, dystopian শহরের কাহিনি যেখানে এক ক্ষমতাধর বাড়িওয়ালার দাপটে কেউ মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না, তার কোনো আলোচনা করার সাহস পায় না। সুমন নামে এক সাংবাদিক যুবক তাদের কাগজে ল্যান্ডলর্ডের বিরুদ্ধে লেখার পর তার বান্ধবি রেখা বলে, তুই পালা। তোকে মেরে ফেলবে। গায়েব করে দেবে। কিন্তু সে সব কিছু হয় না। তার পরিবর্তে ল্যান্ডলর্ডের বিখ্যাত রিসোর্টে তাকে ভিআইপি অতিথি হিসেবে সাত দিন থাকার আমন্ত্রণ জানানো হয়। বান্ধবী রেখার নিষেধ না শুনে সুমন সাত দিনের ভিআইপি অতিথি হয়ে যায় সাংগ্রিলা রিসোর্টে। কী হয় ‘ সাংগ্রিলায় সাত দিন’ ? কী ঘটে প্রধান চরিত্রের জীবনে ? কাহিনি কীভাবে অগ্রসর হয় এরপর ? হাসনাত আবদুল হাই-এর ‘সাংগ্রিলায় সাত দিন’ একই সঙ্গে রূপকের সাহায্যে মতার ব্যবহার বর্ণনা এবং সায়েন্স ফিকশন। এই উপন্যাস পাঠককে অল্ডুস হাক্সলীর The Brave New World এবং জর্জ অরওয়েলের Nineteen Eighty Fourৎ, এই দুই কালজয়ী dystopian উপন্যাসের কথা মনে করিয়ে দেবে।

হাসনাত আবদুল হাই (Hasnat Abdul Hye)

জন্ম ১৯৩৯ সালের সেপ্টেম্বরে, কলকাতায় । পৈত্রিক নিবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার সৈয়দাবাদ গ্রামে। স্কুল শিক্ষা কলকাতা, যশোর, ফরিদপুর শহরে। কলেজ শিক্ষা ঢাকায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়, লন্ডন স্কুল অব ইকনোমিকস এবং ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর শিক্ষা লাভের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা । ১৯৬৫ সালে সিভিল সার্ভিসে যোগদানের পর প্রাক্তন পাকিস্তান সরকার এবং পরবর্তীকালে বাংলাদেশ সরকারের অধীনে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন এবং সচিব পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। হাসনাত আবদুল হাই ছাত্র জীবন থেকে সাহিত্যচর্চা শুরু করেন। ১৯৫৮ সালে ছোটগল্প রচনার মাধ্যমে। ছোটগল্প, উপন্যাস, ভ্রমণ-কাহিনী, শিল্প ও সাহিত্য সমালোচনা এবং নাটক এই সব Read More

শাখায় স্বচ্ছন্দে বিচরণ করেছেন চার দশকের অধিককাল ।বাংলা এবং ইংরেজিতে একটি কবিতার বই লিখেছেন জাপানে প্ৰবাস জীবনে। প্ৰকাশিত ছোটগল্প গ্রন্থের সংখ্যা পাঁচ, উপন্যাস পঁচিশ এবং ভ্ৰমণ-কাহিনী ছয় । সাহিত্যে অবদানের জন্য পেয়েছেন অলক্ত পুরস্কার, মোহাম্মদ আকরম খাঁ বাংলা একাডেমী পুরস্কার এবং সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ১৯৯৬ সালে ‘একুশে পদক’ লাভ করেন। তাঁর লেখা উপন্যাস সুলতান ডাবলিন আন্তর্জাতিক সাহিত্য পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়।

Read Less