রবীন্দ্রনাথ, গীতাঞ্জলি ও নোবেল পুরস্কার
লন্ডনে ইংরেজি ‘গীতাঞ্জলি’র (‘Song Offerings’) প্রথম প্রকাশ যদিও নভেম্বর, ১৯১২-তে (ইন্ডিয়া সোসাইটি কর্তৃক), প্রকৃতপক্ষে এর জনপ্রিয় যাত্রা মার্চ, ১৯১৩ সনে বিখ্যাত ম্যাকমিলান কোম্পানির পাখায় চড়ে। বিস্ময়কর ঘটনা হলো আট মাসে এ চটি বইটির দশম সংস্করণ প্রকাশ এবং এক বছরে প্রায় ২০ হাজার কপি বিক্রি। তৎকালীন সাহিত্যভুবনে এক অবিশ্বাস্য ঘটনা হিসেবে বিবেচ্য। দ্বিতীয় বিস্ময়, নভেম্বর ১৩ (১৯১৩) সুইডিশ অ্যাকাডেমি এ চটি...
রবীন্দ্রনাথ, গীতাঞ্জলি ও নোবেল পুরস্কার
বইয়ের তথ্য
লন্ডনে ইংরেজি ‘গীতাঞ্জলি’র (‘Song Offerings’) প্রথম প্রকাশ যদিও নভেম্বর, ১৯১২-তে (ইন্ডিয়া সোসাইটি কর্তৃক), প্রকৃতপক্ষে এর জনপ্রিয় যাত্রা মার্চ, ১৯১৩ সনে বিখ্যাত ম্যাকমিলান কোম্পানির পাখায় চড়ে। বিস্ময়কর ঘটনা হলো আট মাসে এ চটি বইটির দশম সংস্করণ প্রকাশ এবং এক বছরে প্রায় ২০ হাজার কপি বিক্রি। তৎকালীন সাহিত্যভুবনে এক অবিশ্বাস্য ঘটনা হিসেবে বিবেচ্য। দ্বিতীয় বিস্ময়, নভেম্বর ১৩ (১৯১৩) সুইডিশ অ্যাকাডেমি এ চটি বইটিকে (সঙ্গে দ্য গার্ডেনার ও অন্য দু’একটি রচনাও বিবেচনায় ছিল) কেন্দ্র করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার দানের ঘোষণা দেয়। এই প্রথম ইউরোপের বাইরে এবং একজন অশ্বেতাঙ্গ ব্যক্তিকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হলো। এই পুরস্কার দেওয়ার পেছনে নানা স্রোতের টানাপোড়েন, এর পূর্ব প্রেক্ষাপট, পুরস্কারের প্রতিক্রিয়া (কবির স্বদেশে ও বিদেশে) এবং বাংলা ও ইংরেজি গীতাঞ্জলির বিচার ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে গীতাঞ্জলির অনুবাদ-বিষয়ক বিচিত্র ঘটনার বিবরণ প্রকাশ পেয়েছে রবীন্দ্রনাথ, ‘গীতাঞ্জলি’ ও নোবেল পুরস্কার বইটিতে। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঘটনা সম্পর্কে লেখক আহমদ রফিকের মন্তব্য ও মূল্যায়নও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।
