পর
বিক্রমপুরের কাজির পাগলা গ্রামে একশো বছরেরও বেশি কাল আগে অভয় তালুকদার নামে এক শিক্ষানুরাগী জমিদার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কাজির পাগলা এ. টি. ইনস্টিটিউশন নামের একটি স্কুল। কালক্রমে সেই স্কুল বিখ্যাাত হয়ে ওঠে। বহু মেধাবী এবং নামকরা ছাত্র এই স্কুল থেকে বের হয়। বিক্রমপুর ছিল হিন্দুপ্রধান এলাকা। দেশভাগের পর তারা অনেকেই বিক্রমপুর ছেড়ে চলে যায়। স্কুল চলতে থাকে স্কুলের মতো। কয়েক বছর...
বইয়ের তথ্য
বিক্রমপুরের কাজির পাগলা গ্রামে একশো বছরেরও বেশি কাল আগে অভয় তালুকদার নামে এক শিক্ষানুরাগী জমিদার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কাজির পাগলা এ. টি. ইনস্টিটিউশন নামের একটি স্কুল। কালক্রমে সেই স্কুল বিখ্যাাত হয়ে ওঠে। বহু মেধাবী এবং নামকরা ছাত্র এই স্কুল থেকে বের হয়। বিক্রমপুর ছিল হিন্দুপ্রধান এলাকা। দেশভাগের পর তারা অনেকেই বিক্রমপুর ছেড়ে চলে যায়। স্কুল চলতে থাকে স্কুলের মতো। কয়েক বছর আগে শতবর্ষ পেরোয় স্কুলটি এই উপলক্ষে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি, স্কুলের প্রাক্তন এবং বর্তমান ছাত্র শিক্ষক অভিভাবক মিলে দুদিনব্যাপী শতবর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আমন্ত্রণ জানানো হয় ভারতের বিভিন্ন স্থানে বসবাস করা এই স্কুলের যেসব প্রাক্তন ছাত্রের খোঁজ পাওয়া যায় তাদেরকে এবং প্রতিষ্টাতা পরিবারের সদস্য যারা এখনো বেঁচে আছেন তাদেরকে। ’৪৭ এর পর তারা অনেকেই আর এই দেশে আসেন নি। এতকাল পর পূর্বপুরুষের প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুলের শতবর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে এসে তাঁদের কী অনুভূতি ? একদার আপন দেশটি কি আজ তাদের পর ? নিজের আপন গ্রামখানি কি পর ? আর মানুষগুলো ?
