অনল মিত্রের অপমৃত্যু
বছর সাতেক আগে আচমকা মারা যান দেশের নামি আয়কর উপদেষ্টা অনল মিত্র। তার মৃত্যুটা স্বাভাবিক নয়, বিষক্রিয়ায় ভিকটিমের মৃত্যু হয়েছে বলে পোস্টমর্টেম রিপোর্টের বরাতে উল্লেখ করে ফরেনসিক বিভাগ। পুলিশের খাতায় আত্মহত্যা কিংবা অপমৃত্যু। পরে অবশ্য অনলবাবুর স্ত্রী সাগর দত্ত বলে একজনকে আসামি করে খুনের মামলা দায়ের করেন। মামলা চলমান, কিন্তু এই কেসের কোনো সুরাহা এখনো হয় নি। অনল মিত্রের মেয়ে...
বইয়ের তথ্য
বছর সাতেক আগে আচমকা মারা যান দেশের নামি আয়কর উপদেষ্টা অনল মিত্র। তার মৃত্যুটা স্বাভাবিক নয়, বিষক্রিয়ায় ভিকটিমের মৃত্যু হয়েছে বলে পোস্টমর্টেম রিপোর্টের বরাতে উল্লেখ করে ফরেনসিক বিভাগ। পুলিশের খাতায় আত্মহত্যা কিংবা অপমৃত্যু। পরে অবশ্য অনলবাবুর স্ত্রী সাগর দত্ত বলে একজনকে আসামি করে খুনের মামলা দায়ের করেন। মামলা চলমান, কিন্তু এই কেসের কোনো সুরাহা এখনো হয় নি। অনল মিত্রের মেয়ে পৃথা দীর্ঘদিন পর যোগাযোগ করে প্রাইভেট ডিটেকটিভ অলোকেশ রয়ের সঙ্গে, যার ক্যারিয়ারে ব্যর্থতা বলে আদতে কিছু নেই। তিনি চৌকশ, পেশাদার ও অসম্ভব মেধাবী- এককথায় অন্তর্যামী। সহকারী উর্বী ও ক্রাইমরিপোর্টার শুভকে নিয়ে তিনি নেমে পড়েন অনল মিত্রের মৃত্যুরহস্য খুঁজতে। একে একে উঠে আসে বেশ কিছু নাম ও রহস্যজনক ঘটনা। হঠাৎ ব্যাংকের একটা চিঠি ঘটনার মোড় ঘুরিয়ে দেয়। দশ লাখ টাকা লোন নিয়েছিলেন অনলবাবু। কেন ? এ ব্যাপারে পরিবারের কেউ কিচ্ছু জানে না। নিহতের স্ত্রী রীতিমতো অন্ধকারে। অনল মিত্রের ঘরে পুরোনো দলিল-দস্তাবেজ ঘাঁটতে গিয়ে বেরিয়ে আসে একটি ছবি। সেই ছবি থেকেই জট খুলতে শুরু করে অনল মিত্রের অপমৃত্যু-রহস্যের।
